দুই ধর্মের মানুষের বৈধ বিয়ের পদ্ধতি – জানা থাকা ভালো – কাজে লাগতে পারে [ Writing – MRS ]

স্বাগতম ট্রিকবিডিতে

আশা নয় বিশ্বাস ভালো আছেন সবাই….!আজ আমি যে বিষয় টি নিয়ে আলোচনা করবো
সেই বিষয় টি শুরুতে টাইটেল দেখেই বুঝতে পেরেছেন নিশ্চই।

যারা জানেন তারা এরিয়ে জান। কেউ খারাপ মন্তব্য করবেন না।

সর্বদা একটি পরিবারের মতো পাশে থাকার জন্য সকল কে ধন্যবাদ। আর যারা জানেন না তারা দেখুন……!

আজকের টিউটোরিয়াল কাউকে উদ্দেশ্য করে নয় শুধু জানার ও জানানোর উদ্দেশ্য লেখা।

নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অটুট রেখে সংসার করছেন অনেক দম্পতি।বেড়ে উঠছে এই বিয়ের প্রথা।
বাংলাদেশের বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ (সংশোধিত ২০০৭) অনুযায়ী এই বিয়ে হচ্ছে।
সরকারিভাবে এমন বিয়ে পরানোর একমাত্র স্থান পুরানো ঢাকার পাটুয়াটুলি। প্রাণেশ সমাদ্দার এই বিয়ের রেজিষ্টার।
একই সাথে তিনি রাজধানীর পাটুয়াটুলির শরতচন্দ্র ব্রাক্ষ প্রচারক নিবাসের আচার্য ও ট্রাষ্টি।সেখানেই থাকেন তিনি। শুধু ঢাকা নয় দেশের অন্যন্য জেলা থেকেও ছেলে মেয়েরা আসে বিয়ে করতে। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে যাতে চায় তাদের আসতেই হয়। কারন কোর্টএ বিয়ে করলে বিয়ে রেজিস্ট্রির কোন প্রমানপত্র পাওয়া যায় না।অবশ্য কোর্টে দুই ধর্মের দু’জন বিয়ে করতে পারে না।অনেক সময় যারা জানে না তারা প্রথমে কোর্টে যায়। আর তখন আইনজীবীরা এখানে নিয়ে আসে। বিয়ে হলেও ডিভোর্স করানো যায় না।ওটা করতে হয় কোর্টে। আইন মতে, বিয়ের ১৪ দিন আগে রেজিস্টারের কাছে নোটিশ দিতে হয়।
এরমধ্যো কারো কোন আপত্তি থাকলে সে তা যানাবে।তারপর তিনজন সাক্ষী আর পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে হাজির হতে হবে। নির্দিষ্ট ছকে ছেলে-মেয়ে দু’জন স্বাক্ষর করবে আর স্বাক্ষর করবে তিনজন সাক্ষী। এতেই হয়ে যাবে দু’জনের বিয়ে। সামাজিক আর কোন আনুষ্ঠানিকতা এখানে নেই।

আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন থাকুন ট্রিক বিডির সাথেই।

বিঃদ্র…. মানুষ মাত্র ই ভুল হয়ে থাকে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন.

কোন কিছু জানার বা জানাবার থাকলে ভদ্র ও রুচিশীল ভাষায় কমেন্টে জানাবেন।

সকলেই ভদ্রতা বজায় রাখুন।
কোনো পরামর্শ বা মতামত জানাতে ফেসবুক পেজ

Share This Post

Leave a Comment