কেন নামায এত গুরুত্বপূর্ণ আমল, কেন আমাদের সবার নামায পড়া উচিত। জেনে নিন কুরআনের আয়াত ও হাদীসের মাধ্যমে। দয়া করে সবাই দেখুন।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

রাহমানুর রাহিম আল্লাহর নামে শুরু করছি আজকের পোস্ট।

নামাযঃ

আল্লাহ তায়ালার কুদরত হইতে সরাসরি ফায়দা হাসিল করার উপায় হইল, আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের হুকুমগুলোকে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসাল্লামের তরীকায় পুরা করা। এরমধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও বুনিয়াদী আমল হইল নামায।

নামায সম্পর্কে কুরআনের কিছু আয়াতঃ

অর্থঃ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করিয়াছেন, – নিশ্চয় নামায নির্লজ্জ ও অশোভনীয় কাজ হইতে বিরত রাখে।(আনকাবূত)

অর্থঃ আল্লাহ তায়ালার আরো এরশাদ করিয়াছেন,- নিশ্চয় যাহারা ঈমান আনিয়াছে এবং নেক আমল করিয়াছে। আর (বিশেষভাবে) নামাযের পাবন্দী করিয়াছে এবং যাকাত আদায় করিয়াছে তাহাদের রব্বের নিকট তাহাদের সওয়াব সংরক্ষিত রহিয়াছে। আর না তাহাদের কোন আশংকা থাকিবে এবং না তাহারা চিন্তিত হইবে। (বাকারাহ-২৭৭)

অর্থঃ আল্লাহ তায়ালা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলিয়াছেন- আমার ঈমানদার বান্দাদিগকে বলিয়া দিন, যেন তাহারা নামাযের পাবন্দী করে এবং আমি যাহা কিছু তাহাদিগকে দিয়াছি উহা হইতে গোপনে ও প্রকাশ্যে দান-খয়রাত করে_সেইদিন আসিবার পূর্বে যেদিন না কোন ক্রয়-বিক্রয় থাকিবে (অর্থাৎ কোন জিনিস দিয়া নেক আমল খরিদ করিয়া লওয়া যাইবে না।) আর না কোন বন্ধুত্ব কাজে আসিবে। (অর্থাৎ কোন বন্ধু তোমাকে নেক আমল দান করিবে না).

নামায সম্পর্কে কিছু হাদীস শরীফঃ

অর্থঃহযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, ইসলামের ইমরাত ৫ জিনিসের উপর কায়েম করা হইছে:

  • ১. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ এর সাক্ষ্য প্রদান। (অর্থাৎ এই সত্য কথার সাক্ষ্য প্রদদান করা যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কেহ এবাদতের উপযুক্ত নাই এবং হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তায়ালার বান্দা ও রাসূল।)
  • ২. নামায কায়েম করা।
  • ৩. যাকাত আদায় করা।
  • ৪. হজ্জ করা।
  • ৫. রমযান মাসের রোযা রাখা। (বোখারী)
  • তো এতক্ষণের আলোচনা থেকে কি শিখলেন?

    আমরা বুঝতে পারলাম নামায কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।
    আমরা বুঝতে পারলাম কেন নামায সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও বুনিয়াদী আমল।
    আমাদের সবার নামায ৫ ওয়াক্ত নামায পড়া উচিত।

    বি.দ্রঃ এই পোস্টটা কোথাও থেকে কপি নই। আর আল্লাহর হাদীস কোনোদিন নিজে বানানো যায় না। আমি একটি হাদীস বইয়ে নামায নিয়ে কুরআনের আয়াতটা এবং হাদীস শরীফটটা পড়েছিলাম তাই এই পোস্টটি ঐখান থেকে আপনাদের জানানোর জন্য করলাম।

    আর এটিও হাদীসে আছে, নিজের অর্জিত জ্ঞানকে অপর ভাইকে জানাও।

    সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন এবং ট্রিকবিডির সাথেই থাকুন। আসসালামুআলাইকুম

    Share This Post
    About MainitBD Author

    শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

    Leave a Comment