YouTube SEO করে সহজে View and Subscribe বাড়াবেন যেভাবে। পর্ব -০১

YouTube নিয়ে যারা কাজ করেন আর অনেকেই ভিডিও আপলোড করে যাচ্ছেন। কিন্তু View and Subscribe বাড়ছে না। আপনার ভিডিও Rank করার ক্ষেত্রে SEO ই হল একমাত্র উপায় যার মাধ্যমে আপনি আপনার ভিডিও রেঙ্ক করতে পারেন। আর আপনার ভিডিও যদি YouTube এর প্রথম পেইজে চলে আছে তাহলে ভিউ অটোমেটিক বাড়বে। তার সাথে Subscribe ও বাড়বে। সেই জন্য YouTube এর বেশ কিছু নিয়ম মেনে কাজগুলো করতে হয়। নিচে ধাপে ধাপে উপায়গুলো বর্নণা করা হল :

 

1. Find Video Keywords

ভিডিও তৈরী করার ক্ষেত্রে প্রথমে আপনার চিন্তা করতে হবে Keyword নিয়ে। ধরুন, এমন একটা ভিডিও তৈরী করেছেন যা লোকজন দেখে না। মানে হল যার Search Vol  নাই। তাই প্রথমে youtube.com এর আপনি যে বিষয়ক ভিডিও তৈরী করবেন তার মধ্য থেকে একটা কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন এবং Search করুন। যেমন : আপনি যদি How to change MAC Address এই টা আপনার কিওয়ার্ড হয় তাহলে আপনি প্রথমে YouTube  এ সার্চ করুন এবং গুগুল এ সার্চ করুন। যদি সার্চ ভলিয়ম ভাল থাকে তাহলে আপনি এবার Google Adwords Tools দিয়ে সার্চ করে দেখুন আপনার কিওয়ার্ড এর Monthly Search কেমন। কমপক্ষে ৩০০ Monthly সার্চ ভলিয়ম আছে এমন কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন। যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে আপনি ভিডিও তৈরী করুন।

 

 

সাধারনত নিচে দেওয়া কিওয়ার্ড টাইপের কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে ভিডিও তৈরী করতে চেষ্টা করবেন। কারন এ ধরনের কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ অনেক বেশী হয়।

  • How-to keywords
  • Reviews
  • Tutorials
  • Anything fitness or sports related
  • Funny videos

2 . Make Your Nice  Video ‍and Informative

আপনার ভিডিও হতে হবে অনেক সুন্দর এবং স্পষ্ট। কারন ভাল মানের ভিডিও হলে আপনার Return ভিজিটর অনেক বেড়ে যাবে। আর আপনার চ্যানেলে যদি Return ভিজিটর বেশী থাকে তাহলে ভিডিও রেঙ্ক হবে খুবই তাড়াতাড়ি। যারা প্রফেশনার মানের ইউটিউবার তারা সব কিছুই প্রফেশনাল ভাবে শুরু করে। তাদের নিজস্ব স্টুডিও বা ভাড়া করা স্টুডিও তে ভিডিও রেকর্ড করে এবং প্রফেশনাল ভিডিও এডিটর নিয়ে এডিটিং করে। যেহেতু আমরা প্রথমেই এই সব কোন কিছুই করতে পারব না। তাই আমরা আমাদের ভিডিও রেকর্ড, এডিটিং সব কিছু আমরা নিজেরাই করব।  নিচে আমি কিছু Tools এর নাম উল্লেখ করছি তা দিয়ে আপনি খুব সহজেই ভাল মানের ভিডিও রেকর্ড  এবং এডিটিং করতে পারবেন।

  • ১. স্ক্রিন রেকর্ডিং এর জন্য FastStone Capture সফটওয়্যার দিয়ে খুবই ভাল ভাবে স্ক্রিন রেকর্ড করা যায়। এছাড়া আরো অনেক ধরনের রেকর্ডিং সফটওয়্যার আছে। আপনি যা দিয়ে ভাল ভাবে রেকর্ড করতে পছন্দ করে তা দিয়ে রেকর্ড করতে পারেন।
  • ২. ভিডিও এডিটিং এর জন্য আমি Camtasia Studio ব্যবহার করি। এই সফটওয়্যারটি খুবই সহজ এবং অনেক ভাল ভাল ফিচার আছে এই সফটওয়্যারটিতে।

আপনি যখন ভিডিও তৈরী করবেন কমপক্ষে ৫ মিনিটের ভিডিও তৈরী করতে চেষ্টা করবেন। কারন Long duration এর ভিডিও ইউটিউবে রেঙ্ক হয় তাড়াতাড়ি। ভিডিও’র মধ্যে আপনি আপনার সোস্যাল পেইজের URL এড করবেন। যেমন, আপনি Facebook Page, Twitter Page, Linkdin Page এর লিংক ব্যবহার করবেন। ৫ মিনিটের ভিডিওতে আপনি একবার হলেও Subscribe My Channel for New Videos এই টাইপের Lower Thirds ব্যবহার করবেন। তাতে আপনার Channel Subscribe বাড়বে।

আর ভিডিওতে যদি আপনি ভয়েস ইউজ না করতে পারেন তাহলে YouTube a Free Music আছে তা ব্যবহার করবেন কখনও কপিরাইট মিউজিক ব্যবহার করবেন না। আর ভয়েজ ইউজ করা সবচেয়ে ভাল। ইউটিউবের Creator Studio > Create > Audio Library থেকে আপনি ফ্রি মিউজিক ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

যারা Camtasia Studio সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। তাদের জন্য Camtasia ফ্রি কিছু মিউজিক দিয়েছে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

আজ তাহলে এই পর্যন্তই। পরের পর্বে আমি Video Title, Description and Tag নিয়ে আলোচনা করব। কিভাবে আপনি Video Title, Description and Tag এড করলে সহজেই ভিডিও রেঙ্ক করতে পারবেন।

Share This Post

Leave a Comment