দেখুন কিভাবে ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে রহিঙ্গা মুসলিমদের! অাপনার অাত্না কেপে উটবে!

মিয়ানমারে সরকারি বাহিনীর হাতে মুসলমানদের নির্বিচারে হত্যা, নারী ও কিশোরীদের ধর্ষণ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে। মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় সংখ্যালঘু মুসলিম রাখাইন রাজ্যের অবস্থাকে নরকের সঙ্গে তুলনা করেছেন আরাকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম।
দিন দিন মিয়ানমারে চরম নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গারা। প্রকাশ্যে কুপিয়ে বা জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটছে দেশটিতে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। রাখাইন প্রদেশে গত রোববার অন্তত ৯ জন রোহিঙ্গাকে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সম্প্রতি তা প্রকাশ পাওয়ায় সমালোচনা এখন তুঙ্গে। শুধু মংড়ুর একটি গ্রামে এখন পর্যন্ত ৯০ জন নারী-পরুষ-শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানসমর্থিত ‘রোহিঙ্গা ভিশন’ নামে একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক ভিডিও চিত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আগুনে পোড়া কয়েকটি মরদেহ এবং এগুলোকে ঘিরে তাদের স্বজনরা আর্তনাদ করছে।
এদিকে রাখাইন রাজ্যের কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন চালাতে মুসলিমবিরোধী একটি মিলিশিয়া গ্রুপকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করছে এমন খবর প্রচারের পর প্রাণভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে শুরু করেছে রোহিঙ্গারা। নাফ নদী পার হয়ে অবৈধভাবে কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১২৫ রোহিঙ্গাকে আটকের পর মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
আর জাতিসংঘ বর্তমান মানবিক পরিস্থিতিকে ভয়াবহ উল্লেখ করে, রাখাইন রাজ্যে জরুরি ভিত্তিতে ত্রাণ পাঠানোর অনুমতি দিতে বলেছে। অন্যদিকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়ার জন্য অনলাইনে এক আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন হাজার হাজার মানুষ। রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে কোনো অবস্থান নিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও নির্বিচারে হত্যা হলেও বাংলাদেশ চুপ.
রোহিঙ্গা মেয়েকে পলাক্রমে ধর্ষণ তারপর অমানবিক নির্যাতন
রোহিঙ্গা মেয়েকে পলাক্রমে ধর্ষণ তারপর অমানবিক নির্যাতন!

 

 

 

https://www.youtube.com/watch?v=92vy8iKvB7E

সারা মুসলিম বিশ্বের কাছে একটাই প্রশ্ন বারমার মুসলিম রহিঙ্গা নারী পুরুশ! তাদের যেভাবে নিয্যাতন,ধর্ষন,হত্যা করা হচ্ছে তা বিশ্বের মানচিত্রে মাইনফলক, হ্রিদয় বিদারক,নেক্কারজনক ঘটনা। অামার নিজের শরির শিওরে উটছে বারমার সেনাবাহিনী র নিজ্জাতন নিপিরণ দেখে।ইচ্ছে করছে একায় যুদ্ধে নেমে পরি! সকল  মুসলিম রাষ্টের উচিত বারমা এটাক করা।

রিপট লেখক

মোঃ মিজান খান

তাং ১১/২/২০১৭ইং

 

Share This Post
About MainitBD Author

শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

Leave a Comment