বড় বিপর্যয়ের শংকায় যুক্তরাষ্ট্র!

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বে ইয়েলোস্টোনে অবস্থিত ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কের মাটির নীচে চাপা পড়ে রয়েছে একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি যা শেষ জেগেছিল ৬৪০ হাজার বছর আগে। কিন্তু, এই আগ্নেয়গিরি নয়, এখন বিশেষজ্ঞদের ভাবনায় ফেলে দিয়েছে এর সংস্রবে থাকা ফুটন্ত কার্বন।

লন্ডনের রয়্যাল হলওয়ে’র বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যে কোনো মুহূর্তে রোষানলে পড়তে হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রকে। এতে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে দেশটির একটা বড় অংশ। এখন ঘুমিয়ে থাকলেও যে কোনো দিন আকাশ কাঁপিয়ে তর্জন-গর্জন করতে পারে ওই আগ্নেয়গিরি। খবর ভারতীয় অনলাইন পত্রিকা এই সময়ের।

জানা গেছে, ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কের নীচে অবস্থিত সুপ্ত আগ্নেয়গিরিটি দৈনিক ৪৫ হাজার মেট্রিক টন কার্বন-ডাই অক্সাইড ছাড়ে। এতে যে কোনো দিন পরমাণু বোমার বিস্ফোরণের সমান বিস্ফোরণের আশংকা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, বিশেষজ্ঞ রিপোর্ট অনুযায়ী সাত লাখ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এই ফুটন্ত কার্বনের স্তূপ যা কোনো সাগরের তুলনায় কম নয়। শুধু তাই নয়, গোটা মেক্সিকো দেশের সমান ওই ফুটন্ত কার্বনের সাগর।

বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান ড. শ্বাশত হিয়ের মজুমদার জানিয়েছেন, ‘ওই কার্বনের মাত্র ১ শতাংশও বায়ুমণ্ডলে ছাড়া মানে ২.৩ ট্রিলিয়ন তেল পোড়ানোর সমান।’

ভূকম্পীয় সেন্সরের সাহায্যে গোটা সাত লাখ বর্গমাইল এলাকায় পরীক্ষা চালিয়েছেন তারা।

ড. মজুমদার বলেন, ‘পৃথিবীর এত নীচে পরীক্ষা চালানো অসম্ভব। তাই ভূকম্পীয় সেন্সরের ভিত্তিতেই পরীক্ষা চালানো হয়েছে।’

How Staff Works- নামের এক মার্কিন ওয়েবসাইটের ২০১৫ সালে প্রকাশিত রিপোর্টে আশংকা করা হয়েছিল, এই বিস্ফোরণে মুহূর্তের মধ্যে কমপক্ষে ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

সূত্র-জুমবাংলা

Share This Post

Leave a Comment