Android Phone রুট করার পদ্ধতি,দেখুন, কিভাবে করবেন রুট?by neT boY

আসসালামুআলাইকুম
কিছু রুট করার পদ্ধতি কমান্ড প্রম্পট এবং অ্যান্ড্রয়েড
ডিবাগ ব্রিজ (এডিবি) নামক ডেভেলপমেন্ট
ইন্টারফেস ব্যবহার করে। অন্যান্য পদ্ধতি ব্যবহার
করেও রুট করা যেতে পারে, বিশেষ
অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে একটি ক্লিকের
মাধ্যমেই করা যায়। এক্ষেত্রে থার্ড পার্টি
অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হয়। একই ডিভাইসের
ভিন্ন হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন থাকতে পারে,
সেক্ষেত্রে একটি ডিভাইসের রুট করার পদ্ধতি যদি
অন্য ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, তবে
ডিভাইসটি নষ্ট করে ফেলার ঝুকি রয়েছে। [১৩]
কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে রুট
করাকে “সফট রুট” বলা হয়। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা
জনিত সমস্যা থাকতে পারে। মাঝে মাঝে “সফট রুট”
করা ফোনে ম্যালওয়্যার প্রবনতা দেখা যায়। su বাইনারি
ফ্লাসিং করার মাধ্যমে রুট করা হলে তাকে “হার্ড রুট”
বলা হয়।,,,,,
,,,,,,,,,,,,,,,||||||||
রুট করার প্রক্রিয়া ডিভাইস অনুযায়ী ভিন্ন হয়, কিন্তু
সাধারনত ফার্মওয়ারে থাকা এক বা তার অধিক সিকিউরিটি বাগ
কাজে লাগানোও এর অন্তর্ভুক্ত। একবার একটি
সিকিউরিটি বাগ আবিষ্কৃত হলে, কাস্টম রিকভারি ইমেজ
ফ্লাশ করা যাবে, যা ফার্মওয়্যার হালনাগাদের ডিজিটাল
স্বাক্ষর চেক এড়িয়ে যাবে। তারপর একটি পরিবর্তিত
ফার্মওয়্যার হালনাগাদ ইনস্টল করা যাবে, যা সাধারণত রুট
করা ডিভাইসে অ্যাপ চালানোর জন্য প্রয়োজন
হবে। উদাহরণস্বরূপ, su বাইনারি (যেমন একটি ওপেন
সোর্স Superuser এর সাথে জোটবদ্ধ করা [১৫] বা
SuperSU অ্যাপ্লিকেশন[১৬]) থেকে কপি করা যাবে
বর্তমান চলমান প্রক্রিয়ার একটি স্থানে (যেমন /
system/xbin/) এবং এক্সিকিউটেবল অনুমতি chmod
কমান্ড এর সাথে মঞ্জুর করে। Superuser বা
SuperSU এর মতো থার্ড পার্টি সুপারভাইসর অ্যাপ
এরপর অন্যান্য অ্যাপের অনুমতির আবেদন নিয়ন্ত্রন
এবং দেখাশুনা করতে পারে। দ্রুত এবং সহজ ভাবে
এন্ড্রয়েড ডিভাইস রুট করার জন্য অনেক গাইড,
টিউটোরিয়াল, এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি রয়েছে।
একটি রুট করার প্রক্রিয়া কখনো কঠিন হতে পারে
আবার কখনো সহজ, এবং এটা তখনকার সুবিধার উপরও
নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, এইচটিসি ড্রিম (HTC G1)
মুক্তি পাওয়ার পর আবিষ্কৃত হয় যে, যা কিছুই লিখার
চেষ্টা করা হতো তা ব্যাখ্যা হয়ে যেত। এর কারন
ছিল রুট শেলে একটি ভুল কমান্ড। যাইহোক, গুগল
দ্রুত এ সমস্যা ঠিক করতে একটি প্যাঁচ মুক্ত করে।
কিন্তু পুরনো ফার্মওয়ারের একটি সাইনড ইমেজ
প্রকাশিত হয়ে যায়, ফলে ব্যবহার কারীরা রুট করার
জন্য বাড়তি সুবিধা পেয়ে যায়।
রুট করার প্রক্রিয়া ডিভাইস অনুযায়ী ভিন্ন হয়, কিন্তু
সাধারনত ফার্মওয়ারে থাকা এক বা তার অধিক সিকিউরিটি বাগ
কাজে লাগানোও এর অন্তর্ভুক্ত। একবার একটি
সিকিউরিটি বাগ আবিষ্কৃত হলে, কাস্টম রিকভারি ইমেজ
ফ্লাশ করা যাবে, যা ফার্মওয়্যার হালনাগাদের ডিজিটাল
স্বাক্ষর চেক এড়িয়ে যাবে। তারপর একটি পরিবর্তিত
ফার্মওয়্যার হালনাগাদ ইনস্টল করা যাবে, যা সাধারণত রুট
করা ডিভাইসে অ্যাপ চালানোর জন্য প্রয়োজন
হবে। উদাহরণস্বরূপ, su বাইনারি (যেমন একটি ওপেন
সোর্স Superuser এর সাথে জোটবদ্ধ করা [১৫] বা
SuperSU অ্যাপ্লিকেশন[১৬]) থেকে কপি করা যাবে
বর্তমান চলমান প্রক্রিয়ার একটি স্থানে (যেমন /
system/xbin/) এবং এক্সিকিউটেবল অনুমতি chmod
কমান্ড এর সাথে মঞ্জুর করে। Superuser বা
SuperSU এর মতো থার্ড পার্টি সুপারভাইসর অ্যাপ
এরপর অন্যান্য অ্যাপের অনুমতির আবেদন নিয়ন্ত্রন
এবং দেখাশুনা করতে পারে। দ্রুত এবং সহজ ভাবে
এন্ড্রয়েড ডিভাইস রুট করার জন্য অনেক গাইড,
টিউটোরিয়াল, এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি রয়েছে।
একটি রুট করার প্রক্রিয়া কখনো কঠিন হতে পারে
আবার কখনো সহজ, এবং এটা তখনকার সুবিধার উপরও
নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, এইচটিসি ড্রিম (HTC G1)
মুক্তি পাওয়ার পর আবিষ্কৃত হয় যে, যা কিছুই লিখার
চেষ্টা করা হতো তা ব্যাখ্যা হয়ে যেত। এর কারন
ছিল রুট শেলে একটি ভুল কমান্ড। যাইহোক, গুগল
দ্রুত এ সমস্যা ঠিক করতে একটি প্যাঁচ মুক্ত করে।
কিন্তু পুরনো ফার্মওয়ারের একটি সাইনড ইমেজ
প্রকাশিত হয়ে যায়, ফলে ব্যবহার কারীরা রুট করার
জন্য বাড়তি সুবিধা পেয়ে যায়।

Share This Post
About MainitBD Author

শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

Leave a Comment