আবহাওয়ার সংবাদ [Must See]অগ্রসর হয়ে অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় মোরা : ৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা

২৯ মে ২০১৭, নিরাপদ নিউজ : ঘূর্ণিঝড়
‘মোরা’ আরও ঘণীভূত ও উত্তর দিকে
অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার সকাল নাগাদ
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূল
অতিক্রম করতে পারে বলে
জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঘূর্ণিঝড়টি অতিক্রমকালে উপকূলীয়
অঞ্চলে এর কী ধরনের প্রভাব পড়তে
পারে জানতে চাইলে অধিদপ্তরের
দায়িত্বরত আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ
বলেন, ‘মোরা’র প্রভাবে উপকূলীয়
জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম,
নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর,
বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল,
পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট,
খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের
অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল
স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে
৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে
প্লাবিত হতে পারে।
এছাড়া ‘মোরা’ অতিক্রমকালে
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী,
লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা,
পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল,
পিরোজপুর জেলা এবং এ জেলাগুলোর
অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ভারী
থেকে অতিভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৬২-৮৮
কি.মি. বেগে দমকা অথবা ঝড়ো
হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের
তথ্যানুযায়ী, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও
তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত
ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ আরও সামান্য উত্তর-
উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার
সকালে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও
তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগর
এলাকায় ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর
অক্ষাংশ এবং ৯১ দশমিক ৩ ডিগ্রি
পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল।
ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি.`র মধ্যে
বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ
ঘণ্টায় ৬২ কি.মি. যা দমকা অথবা
ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি.
পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের
কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই
উত্তাল রয়েছে।
সতর্ক সংকেত : আবহাওয়া
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ ঘুর্ণিঝড়
মোকবেলায়, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার
সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ
সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,
নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর
এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো
৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায়
থাকবে।
মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকেকে ৫
নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা
হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা,
পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর,
ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা,
সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী
দ্বীপ ও চরগুলো ৫ নম্বর বিপদ
সংকেতের আওতায় থাকবে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে
অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও
টলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না
দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে
থাকতে বলা হয়েছে।
(সংগ্রিহিত)

Share This Post

Leave a Comment