অকালে চুল পাকা রোধে করণীয়!

বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকা স্বাভাবিক কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের আগে সাধারণত ২০ বছর বয়সের আগে চুল পাকা বর্তমানে একটি অতি পরিচিত সমস্যা। বর্তমান বিশ্বে প্রায় অর্ধেক মানুষই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। চুলের রং কি হবে তা নির্ভর করে জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং বিশেষ হরমোন মেলানিনের উপর। এই মেলানিনের অভাব হলে চুল পাকতে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে বলেই বুড়ো বয়সে চুল পাকে।

গবেষকদের মতে, অকালে চুল পাকার তেমন কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই। তবে আমাদের শরীরে জিন বা বংশগতির প্রভাবে অকালে চুল পাকতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন বি-১২ অভাবে পিটুইটারি হরমোন অথবা থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা থাকলে কম বয়সে চুল পাকে। পাশাপাশি খাবারদাবারের ভেজাল ও পরিবেশগত দূষণসহ অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান বা জীবন যাপনের নানা সমস্যাও এতে যুক্ত। চিকিত্সাশাস্ত্রে চুল পাকার তেমন কোনো র্কাযকরি চিকিত্সা নেই। তবে কিছু সচেতনতা চুল পাকা রোধে সাহায্য করে। ঘরে বসে পাকা চুলের সমস্যা সমাধানে আমলকীর জুড়ি নেই। ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকী তারুণ্য ধরে রাখতে খুবই কার্যকর। নিয়মিত আমলকী খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে সঙ্গে চুল পাকা রোধ করতেও সাহায্য করে।

এছাড়াও চুল ভাল রাখতে নিয়মিত ভাল ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু (যেটি আপনার চুলে স্যুট করে) দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে হবে। প্রচুর শাক-সবজি ও ফলমূল খেতে হবে। দিনে ২-৩ লিটার পানি পান করতে হবে। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন জেল, কালার, ক্রিম, স্প্রে ও সিরাম ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া যখন চুল পাকতে শুরু করবে তখনই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Share This Post
About MainitBD Author

শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

Leave a Comment