পানি ঔষধ এর কাজ করে কি ভাবে জানুন,,,,,,,,,,,,,,

জন্ডিস, যার মূল ওষুধ হচ্ছে পানি। সম্পূর্ণ বিশ্রামের পাশাপাশি যত বেশি পানি পান করা যায়, তত দ্রুত এ রোগ ভালো হয়ে যায়।

কিডনি রোগ, প্রতিরোধে পানির ভূমিকা ব্যাপক। কারণ দেহের দূষিত পদার্থ বের করে দিয়ে কিডনি ভালো রাখতে যথাযথ উপাদান হলো পানি।
কোস্টবদ্ধতায়, যা নিরোধে সকালে খালি পেটে তিন-চার গ্লাস পানি বেশ কার্যকর।
বাত রোগ মেটাতে পানি ইউরিক এসিড ও অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ দেহ থেকে বের করে দেয়।

জ্বর, যা হলে বেশি করে পানি পান খুবই জরুরি। পানির সাথে খাবার স্যালাইন মেশালে জ্বর তা সাধারণ ডেঙ্গু হলেও শরীরে কোনো ক্ষতি করতে পারে না।
ক্ষুধামন্দা, যেখানে খাবার আধা থেকে এক ঘণ্টা আগে পানি পান হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, ত্বকের রুক্ষতা বা বলিরেখা, শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা ইত্যাদি সমস্যায় বিভিন্নভাবে পানি ফলদায়ক।

পানির পানের যথার্থ সময়
সকালে শয্যা ত্যাগের পর খালি পেটে পানি পান হলো সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। তবে আহারের ১ ঘণ্টা আগে ও ১ ঘণ্টা পর এবং যখন পিপাসা পায় তখনই পানি পান যথার্থ। প্রভাতকালীন তিন-চার গ্লাস পানি পানের পর কিছুক্ষণ পায়চারি অথবা হালকা জগিং উপকারী। প্রথম দিকে অধিক পানি পানের ফলে অর্থাৎ চার-পাঁচবার ঘন ঘন প্রস্রাব ও পাতলা পায়খানা হবে, যা সপ্তাহখানেক পর স্বাভাবিক হয়ে যায়। মনে রাখা দরকার যে, এক সাথে চার গ্লাস পানি পান করতে না পারলে এক গ্লাস পান করে চার-পাঁচ মিনিট পায়চারি করে আবার এক গ্লাস এভাবে ক্রমান্বয়ে তা করা যায়। তবে সামর্থেø না কুলালে জোর করে বেশি পান করতে নেই।

Share This Post

Leave a Comment