আযানের জবাব | আযানের দোয়া বাংলা উচ্চারণ এবং দোয়া ও নিয়ম

আযানের জবাব সম্পর্কিত সকল তথ্য এবং দোয়া ও নিয়ম

আযানের জবাব আযানের জবাব, আযানের জবাব আরবি আযানের জবাব আরবি, আযানের জবাব কি আযানের জবাব কি, আযানের জবাব কিভাবে দেয় আযানের জবাব কিভাবে দেয়, আযানের জবাব দেওয়া কি আযানের জবাব দেওয়া কি, আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম, আযানের জবাব দেওয়ার ফজিলত আযানের জবাব দেওয়ার ফজিলত, আযানের জবাব দেওয়ার বিধান আযানের জবাব দেওয়ার বিধান, আযানের জবাব দেয়া কি ওয়াজিব আযানের জবাব দেয়া কি ওয়াজিব, আযানের জবাব বাংলা আযানের জবাব বাংলা, আযানের দোয়ার অর্থ আযানের দোয়ার অর্থ, ফজরের আযানের জবাব ফজরের আযানের জবাব, ফজরের আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম ফজরের আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম

আসসালামু আলাইকুম,কেমন আছেন সবাই, আশা করি ভালো আছেন, আজকের টপিক, আযানের জবাব,আযানের জবাব ও দোয়া, ফজরের আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম,জবাব দেওয়া কি,জবাব দেওয়ার নিয়ম,জবাব দেওয়ার ফজিলত,জবাব দেওয়ার বিধান,জবাব বাংলা,জবাব আরবি,জবাব কি, জবাব দেয়া কি ওয়াজিব,আযানের জবাব কিভাবে দেয়,এই সকল তথ্য সম্পর্কে আপনারা আজকে যানতে পারবেন।

আরও পড়ুন

ইসলামিক মোটিভেশন উক্তি

দেখে নিন জুমার দিনের ফযিলত ও আমলসমুহ।।

আযান অর্থ ঘোষণা ধ্বনি । পারিভাষিক অর্থ, শরীআতে নির্ধারিত আরবী বাক্য সমূহের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে উচ্চকণ্ঠে ছালাতে আহবান করাকে আযান বলা হয়।

আযান এর উচ্চরণ আরবীতে দেখুন

  • اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ
  • اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ
  • أَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ
  • أَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ
  • أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ
  • أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ
  • حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ
  • حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ
  • حَيَّ عَلَى الْفَلاَحِ
  • حَيَّ عَلَى الْفَلاَحِ
  • اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ
  • لآ إلَهَ إِلاَّ اللهُ

আযানের উচ্চরণ বাংলাতে

  • আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবার
  • আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবার
  • আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ
  • আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ
  • আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ
  • আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ
  • হাইয়া ‘আলাছ ছলা-হ
  • হাইয়া ‘আলাছ ছলা-হ
  • হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ
  • হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ
  • আল্লা-হু আকবার – আল্লা-হু আকবার
  • লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আযানের অর্থ বাংলাতে দেখুন

  • আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ – আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ
  • আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ – আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ
  • আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই
  • আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই
  • আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রসূল
  • আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রসূল
  • সালাতের জন্য এসো
  • সালাতের জন্য এসো
  • কল্যাণের জন্য এসো
  • কল্যাণের জন্য এসো
  • আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ – আল্লাহ সর্ব শ্রেষ্ঠ
  •  আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই

ফজরের আজানে ২ টা বাক্য বেশি ব্যবহৃত হয়

اَلصَّلاَةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ  আসস্বলা-তু খাইরুম মিনান্‌ নাওম  ঘুম থেকে সালাত উত্তম
اَلصَّلاَةُ خَيْرٌ مِّنَ النَّوْمِ  আসস্বলা-তু খাইরুম মিনান্‌ নাওম   ঘুম থেকে সালাত উত্তম

আরও পড়ুন

আসুন জেনেনিয় কি ঘটেছিল কারবালায়? কারা হুসাইন (রা:) কে হত্যা করেছে?

আমাদের সবার জানা দরকার বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ দিনে করণীয় ১০ আমল। সবাই শেয়ার করবেন

আযান এর জবাব দেবেন যে ভাবে।

আযানের উচ্চরণ আরবীতেআযানের অর্থ বাংলাতেআযানের জবাব আরবীতেআযানের জবাব বাংলাতে
اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবারاللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবার
اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবারاللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার -আল্লা-হু আকবার
أَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হأَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ
أَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হأَشْهَدُ أَن لاَّ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ
أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ  আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ  আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ
أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ  আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَّسُوْلُ اللهِ  আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ
حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ  হাইয়া ‘আলাছ ছলা-হلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله  লা-হাউলা অলা কু ওঅতা ইল্লা বিল্লাহ্‌
حَيَّ عَلَى الصَّلاَةِ  হাইয়া ‘আলাছ ছলা-হلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله  লা-হাউলা অলা কু ওঅতা ইল্লা বিল্লাহ্‌
حَيَّ عَلَى الْفَلاَحِ  হাইয়া ‘আলাল ফালা-হلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله  লা-হাউলা অলা কু ওঅতা ইল্লা বিল্লাহ্‌
حَيَّ عَلَى الْفَلاَحِ  হাইয়া ‘আলাল ফালা-হلاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِالله  লা-হাউলা অলা কু ওঅতা ইল্লা বিল্লাহ্‌
اللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার – আল্লা-হু আকবারاللهُ أَكْبَرُ – اللهُ أَكْبَرُ  আল্লা-হু আকবার – আল্লা-হু আকবার
لآ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হلآ إلَهَ إِلاَّ اللهُ  লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আযান এর দোয়ার অর্থ

হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বানের ও স্থায়ী প্রতিষ্ঠিত নামাজের আপনিই প্রভু। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে ওয়াসিলা ও সুমহান মর্যাদা দান করুন এবং তাঁকে ওই প্রশংসিত স্থানে অধিষ্ঠিত করুন,যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন আর কিয়ামতের দিন তাঁর সুপারিশ আমাদের নসিব করুন,নিশ্চয়ই আপনি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রম করেন না। আজানের পর দরুদ শরিফ পড়ে এ দোয়া পড়া সুন্নত।

আরও পড়ুন

দেখে নিন জুমার দিনের ফযিলত ও আমলসমুহ।।

জেনে রাখুন মুসলিম শিশুর সবচেয়ে জনপ্রিয় ২০টি সুন্দর অর্থবোধক নাম

 

আযানের কালেমা সমূহ

১. আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার (অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়) — আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার — ২ বার

২. আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই)—২ বার

৩. আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ (অর্থ : আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল)—২ বার

৪. হাইয়া ‘আলাছ ছালা-হ (অর্থ : ছালাতের জন্য এসো) — ২ বার

৫. হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ (অর্থ : কল্যাণের জন্য এসো) — ২ বার

৬. আল্লা-হু আকবার (অর্থ : আল্লাহ সবার চেয়ে বড়) — ২ বার

৭. লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ (অর্থ : আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই) — ১ বার

৮. ফজরের আযানের সময় “হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ” – এর পরে “আছছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম” (নিদ্রা হ’তে সালাত উত্তম)_ _ _ ২ বার বলবে।

ফজরের আযানের জবাব যেভাবে দিতে হবে

১. আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার — আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার—২ বার

২. আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ —আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ — ২ বার

৩. আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ —আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ— ২ বার

৪. হাইয়া ‘আলাছ ছালা-হ — লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াত্তা ইল্লা বিল্লাহ — ২ বার

৫. হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ — লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াত্তা ইল্লা বিল্লাহ — ২ বার

৬. আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার — আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার — ১ বার

৭. লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ —লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ — ১ বার

৮. ফজরের আযানের সময় “হাইয়া ‘আলাল ফালা-হ” – এর পরে “আছছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম” — “আছছালা-তু খায়রুম মিনান নাঊম” — ২ বার

ফজরের আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম

আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউমের উত্তর

ইসলামী ফিকহের বিভিন্ন বই অনুসারে, ফজরের আযান ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম‘ এর জবাবে ‘সাদাকতা ও বারারতা’ পাঠ করবে। কিন্তু হাদীস ও সুন্নাতে এর কোন প্রমাণ নেই। তাই বিশুদ্ধ মতানুযায়ী এর জবাবে মুয়াজ্জিনের অনুরূপ ‘আসসালাতু খাইরুম মিনান নাউম‘ বলাই উত্তম। কারণ হাদীস শরীফে আছে, আপনিও আযানের জবাবে মুয়াজ্জিনের মতই বলবেন।

তাকরীরা রাফেয়ীঃ ১/৪৭ আহসানুল ফাতাওয়াঃ ১০/২০৬)

আযানের জবাব কিভাবে দেয় দোয়া সমূহঃ

১. আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে  জানতে পারবেন,আযানের জওয়াব দান শেষে প্রথমে দরূদ পড়তে হয়, অতঃপর আযানের দো‘আ পড়বে।

২. আযানের দোয়াঃ

আল্লাহুম্মা রব্বা হা-যিহিদ দা’ওয়াতিত তা-ম্মাহ ওয়াস্বলা-তির ক্ব-য়িমাহ, আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফায্বীলাহ, ওয়াব’আছহু মাক্ব-মাম মাহ:মূদানিল্লাযী ওয়া’আত্তাহ।

৩. মুয়াযযিনের আযান শুনার পর বলবেঃ আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু, রযীতু বিল্লা-হি রব্বা ওয়া বিমুহাম্মাদির রসূলা, ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা।

আযানের দোয়া বাংলা অর্থসহ

আযান নামাজ হল নামাজের জন্য ইসলামিক আহ্বান, যা দিনে পাঁচবার পাঠ করা হয়। নিচে তার আরবি দোয়া ও বাংলা উচ্চরণ ও অর্থ পড়ুন।

আরবি দোয়া দেখুনঃ

« ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺭَﺏَّ ﻫَﺬِﻩِ ﺍﻟﺪَّﻋْﻮَﺓِ ﺍﻟﺘَّﺎﻣَّﺔِ، ﻭَﺍﻟﺼَّﻼَﺓِ ﺍﻟْﻘَﺎﺋِﻤَﺔِ، ﺁﺕِ ﻣُﺤَﻤَّﺪﺍً ﺍﻟْﻮَﺳِﻴﻠَﺔَ
ﻭَﺍﻟْﻔَﻀِﻴﻠَﺔَ، ﻭَﺍﺑْﻌَﺜْﻪُ ﻣَﻘَﺎﻣَﺎً ﻣَﺤﻤُﻮﺩﺍً ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻭَﻋَﺪْﺗَﻪُ، ‏[ﺇِﻧَّﻚَ ﻟَﺎ ﺗُﺨْﻠِﻒُ ﺍﻟْﻤِﻴﻌَﺎﺩَ

বাংলা উচ্চারণ দেখুনঃ

আল্লা-হুম্মা রববা হা-যিহিদ্ দা‘ওয়াতিত্ তা-ম্মাতি ওয়াস সালা-তিল ক্বা-’ইমাতি আ-তি মুহাম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাদীলাতা ওয়াব্‘আছহু মাক্বা-মাম
মাহমূদানিল্লাযী ওয়া‘আদতাহ, ইন্নাকা লা তুখলিফুল মী‘আদ।

বাংলা অর্থঃ

হে আল্লাহ! এই পরিপূর্ণ আহ্বান এবং প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব্ব! মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে ওসীলা তথা জান্নাতের একটি স্তর এবং ফযীলত তথা সকল সৃষ্টির উপর অতিরিক্ত মর্যাদা দান করুন। আর তাঁকে মাকামে মাহমূদে (প্রশংসিত
স্থানে) পৌঁছে দিন, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন। নিশ্চয় আপনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেন না।

আযানের জবাব কি?

মুসলমানরা দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। প্রথম নামাজ সকালে, দ্বিতীয়টি মধ্যাহ্নে, তৃতীয়টি বিকেলে, চতুর্থটি সূর্যাস্তের সময় এবং পঞ্চমটি রাতে। নামাযের সময় ঘোষণা করা হয় নামাযের আযানের মাধ্যমে, যাকে বলা হয় আযান।

আযানের জবাব দেওয়া কি?

আযানের জবাব মৌখিকভাবে দেয়া মুস্তাহাব এবং কার্যকরীভাবে জওয়াব দেয়া অর্থাৎ নামাযের জামা‘আতে উপস্থিত হওয়া ওয়াজিব। সুতরাং মৌখিক জবাব দিয়ে জামাআতে উপস্থিত না হওয়া অন্যায়। এতে ওয়াজিব তরক করার গুনাহ হবে। এমনিভাবে ইকামতের জবাব দেওয়াও মুস্তাহাব।

তবে আযান-ইকামত সুন্নাত তরীকায় না হলে, সেই আযান-ইকামতের মৌখিক জবাব না দেয়া দোষণীয় নয়। আমাদের দেশের অধিকাংশ মুয়াযযিনদের আযান ও ইকামত সুন্নাত তরীকার খিলাপ। এ ব্যাপারে খিয়াল রাখা খুবই জরুরী। কারণ, আযান শি‘আরে ইসলামের অন্তর্ভুক্ত।

আযানের জবাব দেওয়ার ফজিলত?

আবদুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রা.) আবূ সাঈদ খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন তোমরা নামাযের আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেভাবে বলে তোমরাও তাই বলবে। (সহীহ বুখারী শরীফ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন: হাদিস/584)

ইবনুস (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! মুয়াজ্জিনদের আমাদের উপর অনুগ্রহ করা হচ্ছে (আমাদের চেয়ে বেশি পুরস্কার রয়েছে)।

কিভাবে আমরা তাদের সমান পুরস্কার পেতে পারি? তিনি বললেন, মুয়াজ্জিনরা যেমন বলে, তোমরাও তাই বলবে। অতঃপর যখন আযান শেষ করবে, তখন আল্লাহর কাছে দোয়া করলে একই সওয়ারী পাবে। (সহীহ আবু দাউদ – ইসলামিক ফাউন্ডেশন: হাদিস/524)

এছাড়াও

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর কর্তৃত্বে মুহাম্মদ ইবনুল মুশান্না (রহঃ)। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আযানের সময় মুয়াজ্জিন যখন আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার বলবে, তখন তোমরাও আল্লাহু আকবার বলবে। অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ তখন তোমরাও আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বল।

অতঃপর মুয়াজ্জিন যখন বলে আশহাদু আন্না মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল তখন তোমরাও বলো আশহাদু আন্না মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল। অতঃপর যখন মুয়াজ্জিন ‘হায়্যা আলাস সালাহ’ বলে তখন তুমি বল, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।

অতঃপর যখন মুয়াজ্জিন ‘হায়্যা আলাল ফালাহ’ বলে তখন তুমি লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বল। অতঃপর যখন মুয়াজ্জিন আল্লাহু আকবার বলে, তখন তোমরা আল্লাহু আকবার বল, তখন মুয়াজ্জিন যখন লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে, তখন তোমরাও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বল। অভ্যন্তরীণভাবে একথা বললে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। (সহীহ আবু দাউদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন: হাদিস/527)

আরও পড়ুন

নতুন বছরের ইসলামিক স্ট্যাটাস । নতুন বছরের শুভেচ্ছা

{{ইসলামিক}}♦♦আবু হুরাইরা (রা:) ও এক জ্বীনের গল্প।♦♦

আযানের জবাব দেওয়ার বিধান?

মুয়াজ্জিন প্রত্যেকটি বাক্য বলে থামার পর শ্রোতা ওই বাক্যটি নিজেও অনুরূপভাবে বলবে.কিন্তু মুয়াজ্জিন ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় শ্রোতা ‘লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ’ বলবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৩৮৫)

আযানের জবাব দেওয়া কি সুন্নত না কি ওয়াজিব?

আপনার প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ. নামাযের আযানের জবাব দেওয়ার ব্যাপারে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কিছু আলেম একে ওয়াজিব বলেছেন। আবার কেউ কেউ একে সুন্নাহ বলে। সুন্নাহর বক্তব্য শক্তিশালী। যাইহোক, এর গুণাবলী নির্দেশ করে যে আযানে সাড়া দেওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সুন্নত মুয়াকাদ্দাহ নয়, শুধুমাত্র মানের দিক থেকে ওয়াজিবের সমান।

পরিশেষে

আপনারা আজকে জানতে পারলেন,আযানের জবাব,আযানের জবাব ও দোয়া, ফজরের আযানের জবাব দেওয়ার নিয়ম,জবাব দেওয়া কি,জবাব দেওয়ার নিয়ম,জবাব দেওয়ার ফজিলত,জবাব দেওয়ার বিধান,জবাব বাংলা,জবাব আরবি,জবাব কি, জবাব দেয়া কি ওয়াজিব,আযানের জবাব কিভাবে দেয়,এই সকল তথ্য সম্পর্কে ,ধন্যবাদ, আসসালামু আলাইকুম।

Share This Post
About MainitBD Author

শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

6 thoughts on “আযানের জবাব | আযানের দোয়া বাংলা উচ্চারণ এবং দোয়া ও নিয়ম”

  1. আলহামদুলিল্লাহ
    এভাবে তথ্য গুলো দেয়ার জন্য ধন্যবাদ

    Reply

Leave a Comment