ইসলামি জরুরী কিছু বিধি বিধান ও নিষেধাজ্ঞা, যা আমরা প্রতিনিয়ত-ই করে চলেছি!!!

(১) টিভিতে ক্রিকেট/ফুটবল খেলা দেখা জায়েজ
নয়।
একমাত্র দ্বীন সম্পর্কে উদাসীন, আল্লাহ
সম্পর্কে বেখেয়াল – এমন লোকেরাই এ
ধরণের বেহুদা, পাপের আসর দেখে মজা পায়।

মুমিনরা এই জিনিসগুলোকে আল্লাহর জন্য ঘৃণা করে।

(২) ধর্ম যার যার, উতসব সবার – এই কথা যারা বলে, তারা
হচ্ছে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদী, প্রকৃতপক্ষে এরা
কোন ধর্মেই বিশ্বাসী না।
কোন মুমিন কখনো
এমন কুফুরী, নাস্তিকতায় বিশ্বাস করতে পারে না।

(৩) যেই সমস্ত মুসলমানের সন্তানেরা হিন্দুদের
হোলি পূজা, খ্রীস্টানদের ক্রিসমাস, পহেলা
বৈশাখে অংশগ্রহণ করে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ
তাদের বাবা-মাকে জিজ্ঞেস করবেন, তোমরা
কেনো তোমাদের সন্তানদেরকে ইসলাম শিক্ষা
দাও নি?
তোমাদের কারণেই তোমাদের
সন্তানেরা জাহান্নামী হবে।
যেই সমস্ত বাবা-মা
নিজেরা জাহেল, ইসলাম থেকে দূরে, এদের
মতো পাপী লোকদের সন্তানেরাই
কাফেরদের শিরক আর কুফুরীতে শরীক হতে
পারে।

(৪) ও আমার দেশের মাটি, তোমার প’রে ঠেকাই
মাথা – এই গানটাতে শিরক রয়েছে। মুসলমানরা মাথা
ঠেকায় (মাথা নীচু করে) শুধুমাত্র আল্লাহ তায়া’লার
জন্য, রুকু ও সেজদার মাধ্যমে।
মুশরিকরা গাছ, পাথর,
জননী, দেশ, সবকিছুর জন্যই মাথা ঠেকায়।
হে
মুসলমান ভাই ও বোনেরা সাবধান!
আজকাল ধর্ম
নিরপেক্ষতাবাদী, নাস্তিকরা দেশপ্রেম নাম দিয়ে
মুসলমানদেরকে হিন্দু, ব্রাম্মহদের শিরকি গান
গলাধঃকরণ করতে বাধ্য করছে।

(৫) আপনার সাবালিকা/নাবাললিকা মেয়েকে কোন
পুরুষের কাছে প্রাইভেট পড়তে দেবেন না। এটা
নাজায়েজ, হারাম এবং ফিতনাহ।
এমনকি দাড়ি-টুপিওয়ালা,
নূরানী চেহারার কোন হুজুর/মাওলানার কাছেও না।
প্রাইভেট টিউটর, হুজুরের কাছে পড়ে অনেক
মেয়ের ইজ্জত গেছে, অনেকে যৌন
নির্যাতনের শিকার হয়ে জীবন, মন-মানসিকতা নষ্ট
হয়ে গেছে। একটা ক্ষুদার্ত কুকুরের সামনে
একটা গোশতের টুকরা রেখে যতটুকু নিরাপদ থাকা
যায়, পরপুরুষের কাছে নারীরা ততটুকুই নিরাপদ।
আপন ভাই, আপন মামা, আপন চাচা এমন মাহরাম ছাড়া অন্য
যে কোন পুরুষ যেমন দেবর, দুলাভাই, চাচাতো/
মামাতো ভাই, দূরসম্পর্কের মামা/চাচা, পাতানো ভাই,
খালু, ফুফা…এমন কোন পুরুষের কাছেই আপনার
কন্যা, স্ত্রী, বোন নিরাপদ নয়। ভাইয়েরা সাবধান
থাকবেন।
আপনার বাড়িতে সবাইকে আসতে
দেবেন না।
পর্দা না মানার কারণে কত যে নারী
নষ্ট হয়ে গেছে, এক আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে
না।
(৬) প্রায় মুসলিম দেশেই মুসলিমরা ভেতরের,
বাইরের শত্রুদের দ্বারা নির্যাতন ও লাঞ্চনার শিকার
হচ্ছে।
এর কারণ হচ্ছে, মুসলমানরা নিজেদেরকে
ঈমানদার দাবী করে, কিন্তু তাদের মাঝেই প্রকাশ্য
শিরক ঢুকে গেছে।

(৭) লাকি সেভেন, আনলাকি থারটিন, কুফা…এইগুলো
বলা এবং বিশ্বাস করা শিরক।
এমনকি হাসি-ঠাট্টা করে
বললেও শিরক হবে।

(৮) বিয়ের পূর্বে প্রেম হচ্ছেঃ যৌবনের
আবেগকে কাজে লাগিয়ে অবৈধভাবে নারীদের
ভোগ করার জন্য পুরুষদের একটা প্রতারণা মাত্র।
কত পুরুষ প্রথমে প্রেমের অভিনয় করে, পরে
বিছানায় না গেলে সম্পর্ক ছিন্ন করার হুমকি দেয়।
কত পুরুষ মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে নারীদের সর্বনাশ
করে পালিয়ে যায়।
নারীরা পুরুষদের মতো নয়

একবার যাকে ভালোবাসে, সহজে তাকে ভুলতে
পারেনা। একটা দুর্ঘটনা, সারা জীবনের কান্না।

(৯) আধুনিক যুগে চরমপন্থী, তাকফিরী ও
খারেজী মতবাদ প্রচারের জন্য সবচাইতে বেশি
ভূমিকা রেখেছে হাসান আল-বান্না ও সাইয়েদ কুতুব।
সাইয়েদ কুতুব ইসলামের তৃতীয় খলিফা উসমান (রাঃ),
যাকে দেখে আল্লাহর ফেরেশতারাও লজ্জা
পেতো, সেই মহান সাহাবীর হত্যাকারী
বিদ্রোহীদের প্রশংসা করে বলেছে,
“তারা ইসলামী চেতনার নিকটবর্তী ছিলো।”

নাউযুবিল্লাহি মিং যালিক।
হাসান আল-বান্না, সাইয়েদ
কুতুব…এদের মত ব্যক্তিদেরকে যারা প্রশংসা
করে, এরা তাদের মতোই পথভ্রষ্ট, বিদআ’তী।

এমনই একজন ব্যক্তি হচ্ছে “আল-কুরান একাডেমী
লন্ডন” এর অনুবাদক, হাফেজ মুনীর উদ্দিন। আপনারা
সাইয়েদ কুতুবের কোন ভক্তেরর লিখা পড়বেন
না, তাদের কথা শুনবেন না। যেমন বক্তা তেমন
শ্রোতা। একমাত্র জাহেল ছাড়া অন্য কেউ
বিদআতী ব্যক্তির কাছ থেকে ইলম নেয় না।

Share This Post

Leave a Comment