সময়ের প্রচণ্ড গতি ১ম -৫ম

 

সময়ের প্রচণ্ড

গতি ১ম -৫ম

প্রথম পর্ব:
সময়ের
প্রচণ্ড
গতি

জীবন চলে
যায়
সময়ের
গতির
মেঘমালায়।
একে
পেলে
আর
ফিরে
দেখা
যায়
না।
এমনটি
একটি
অজ্ঞাত
আলোর
মতো।
তাই
সময়ের
কাছে
হেরে
যাওয়া
কেবল
মানুষের
অবসান।
কারোই
তার
হাতে
রাখতে
পারে
না।
এই
সময়ের
দরুণ
প্রচণ্ড
গতির
মধ্যে
একজন
মুক্তবীর
প্রাণ
চলে
একটি
ছোট্ট
গ্রামের
পথের
দিকে।
সেই
মুক্তবীর
নাম
ছিল
জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া।
তিনি
ছিলেন
কবি
নজরুল
ইসলামের
মতো
এক
উদ্দীপক
লেখক।
তাঁর
লেখা
নিখুঁত
ছিল
সমসাময়িকের
প্রচণ্ড
গতিতে।

জগদীশ চন্দ্র
বড়ুয়া
তাঁর
গ্রামের
সবাইকে
অপরিচিত।
সবার
মাঝে
প্রবেশ
করে
যে
সেই
গ্রামের
উজ্জ্বল
মাল্লিক
পরিবারের
একজন
গৃহিণী,
সেখানে
থাকা
বড়ুয়াদের
বাড়িতে
স্বাগত
জানালেন।
সেই
স্বাগতের
শব্দে
বড়ুয়ারা
আনন্দ
পেয়ে
ওঠে।
জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া
তাঁর
হৃদয়ে
অনুভব
করেন
যে
সে
আবারও
এখানে
ফিরে
আসবেন।

সময়ের প্রচণ্ড গতি ১ম -৫ম

দ্বিতীয়
পর্ব:
প্রেমের
অনুরাগ

সেখানে থাকা
স্মরণশক্তি
বড়ুয়াদের
মনকে
জীবনের
সবচেয়ে
মিষ্টি
পথে
নিয়ে
যায়।
প্রথমেই
জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া
অতীতের
স্মরণশক্তির
মাধ্যমে
দেখতে
পেয়েছেন
তাঁর
কবিতার
প্রেমিকা
রুপসী।
তিনি
ছিলেন
একটি
উপন্যাসিকা।
রুপসী
তাঁকে
দেখলে
অতীতের
জগদীশ
চন্দ্রের
মুখের
ছবি
মনে
পড়ে।
বড়ুয়া
প্রেমে
মাত
মনে
হয়ে
উঠে।
রুপসী
একে
দেখলে
তাঁর
মন
বেকার
হয়ে
যায়।
একদিন
তাঁর
গ্রামের
সময়ের
মতো
কেউ
বললেন,
রুপসী
তো
সবাইকে
একটু
নিয়ে
বলে
নেওয়ার
আপেক্ষা
করে
অন্যদের
সাথে
অনেক
বেশি
বলছে।
কিন্তু
সে
তো
আপনার
সাথে
খুবই
বেশি
বলছে।
বড়ুয়া
মন
দিয়ে
বললেন,
রুপসী
তাঁর
মনে
তো
অতীতের
জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া
ছিলেন।
তাই
সে
আমার
প্রিয়।

তৃতীয় পর্ব:
স্বপ্নের
পথিক

জগদীশ চন্দ্র
বড়ুয়া
একদিন
রুপসীর
সাথে
মিলন
করলেন।
তাঁর
মন
ভরে
গেল
প্রেমের
উদ্দীপনা
দেখে।
তাঁর
মধ্যে
একটি
প্রশ্ন
জেগে
উঠল,
কিছুদিন
আগেই
রুপসীকে
আমি
কথা
বলেছিলাম,
আপনি
এখানে
এসেছেন
কেন?”
রুপসী
ব্যাখ্যা
করলেন,
আপনি
আমাকে
তাঁর
কবিতাগুলি
পাঠান।
আপনার
কবিতায়
এমন
প্রেমের
বর্ণনা
আছে,
যেগুলি
আমার
মন
জুড়ে
দেয়।
তাই
আমি
আপনার
কবিতা
পড়ে
অতীতের
আদর্শে
সাজিয়ে
নিয়ে
এসেছি।

চতুর্থ
পর্ব:
মুক্তির
কঠিন
সংগ্রাম

জগদীশ চন্দ্র
বড়ুয়া
রুপসীর
সাথে
প্রেমে
আরো
দিনগুলি
কাটিয়ে
দিলেন।
তাঁর
মনে
একটি
পঞ্চমবর্ণনা
তাড়াতাড়ি
উঠল,
আমি
তাঁর
সঙ্গে
এতদিন
কাটিয়েছি,
তাঁকে
হারাতে
পারবো
না।
তাঁর
মনে
রয়েছে
আমার
জীবনের
অপরিসীম
প্রশ্নের
উত্তর।
কিন্তু
বিচার
করতে
হবে,
এখন
আমি
কি
তাঁকে
মনে
রাখতে
পারবো
না?”

পঞ্চম পর্ব:
সন্ধিতে
সংযোগ

একদিন জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া
রুপসীর
কাছে
গিয়ে
বললেন,
রুপসী,
তুমি
আমার
প্রিয়।
তুমি
আমার
জীবনের
একটি
মাখনী
পাত্র।
আমি
তোমাকে
চাই,
আমি
তোমাকে
পছন্দ
করি,
এই
প্রেমের
সন্ধিতে
আমরা
একসাথে
থাকতে
পারি।

রুপসী কানে
বললেন,
জগদীশ
চন্দ্র,
আমি
তোমাকে
স্বর্গীয়
প্রেম
করি।
তুমি
আমার
হৃদয়ের
আদর্শ।
আমি
আমার
সকল
স্বপ্ন
তোমার
সঙ্গে
শেয়ার
করতে
চাই।

এইভাবে জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া

রুপসী
একসাথে
থাকতে
বেশ
কিছু
সময়
কাটিয়ে
দিলেন।
তাদের
প্রেম
ছিল
কবি
নজরুল
ইসলামের
মতো
আনন্দময়
একটি
উপন্যাস।
এটি
ছিল
একটি
বিখ্যাত
উপন্যাস,
যা
সময়ের
প্রচণ্ড
গতিতে
মুক্তবী
প্রেমিক
জগদীশ
চন্দ্র
বড়ুয়া

উপন্যাসিকা
রুপসীর
প্রেমের
কথা
বলে।
এই
উপন্যাসটি
নজরুল
ইসলামের
সৃষ্টির
মতো
বিনোদনময়,
আদর্শময়
এবং
চেতনামূলক
ছিল।

 [ new post] Gp এর দারুন অফার।অল্প খরচে বেশি mb। অফারটি সীমিত সময়ের জন্য by wapmaster rana(Opens in a new browser tab)

২০ জানুয়ারি পর্যন্ত ইন্টারনেটে ধীর গতি থাকবে(Opens in a new browser tab)

এক নিমিষেই Ram এর গতি বাড়িয়ে নিন (posted by ovi)(Opens in a new browser tab)

সেরা ১০টি নজরুলের প্রেমের কবিতা(Opens in a new browser tab)

Share This Post
About MainitBD Author

শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড! শিখবো, না হয় শেখাবো।

Leave a Comment